কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬ এ ১০:১৭ PM

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং স্তর

কন্টেন্ট: পাতা

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং হলো এসএসসি (SSC) পাশের পর ৪ বছর মেয়াদি একটি কারিগরি শিক্ষা কোর্স এতে তত্ত্বীয় জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক বা হাতে-কলমে কাজের ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়। এটি সফলভাবে শেষ করলে মিড-লেভেল ইঞ্জিনিয়ার বা ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হওয়া যায়।

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (BTEB) এর অধীনে এটি পরিচালিত হয়। কোর্সটির বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো:

ভর্তির যোগ্যতা ও নিয়ম
এসএসসি বা সমমান পাশের পর এতে ভর্তি হওয়া যায়।

জিপিএ (GPA): সাধারণ বোর্ডের নিয়মানুযায়ী, ছেলেদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৩.৫০ এবং মেয়েদের জন্য ৩.০০ জিপিএ প্রয়োজন হয়। তবে গণিত বিষয়ে আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ বা তার বেশি থাকতে হয়।

ভর্তি প্রক্রিয়া: সাধারণত শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের ওপর ভিত্তি করে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়।

চাঁদপুর সরকারি পলিটেকনিক এর বিভাগসমূহ:

  • সিভিল (Civil)
  • ইলেকট্রনিক্স
  • কন্সট্রাকশন
  • কম্পিউটার (Computer)
কেন ডিপ্লোমা করবেন?
  • চাকরির সুবিধা: পড়াশোনা শেষ করার পর সরকারি (যেমন- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিপিডিবি, বিদ্যুৎকেন্দ্র) ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সরাসরি সুপারভাইজার বা উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে চাকরির সুযোগ পাওয়া যায়।
  • উচ্চশিক্ষা: ডিপ্লোমা শেষে চাইলে বিএসসি (BSc) ইঞ্জিনিয়ারিং বা কোনো পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রি নেওয়া যায়। এতে বিএসসি কোর্সে কিছুটা সময় কম লাগে বা ক্রেডিট ট্রান্সফারের সুযোগ থাকে।
  • দক্ষতা ও ফ্রিল্যান্সিং: হাতে-কলমে শিক্ষা থাকায় কম্পিউটার বা ইলেকট্রনিক্স বিভাগের শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা চলাকালীনই ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করতে পারে।
  • বিদেশে কাজের সুযোগ: বিদেশের বাজারে দক্ষ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রচুর চাহিদা রয়েছে।

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং একটি বাস্তবমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সর্বশেষ নোটিশ ও রুটিন দেখার জন্য বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ভিজিট করতে পারেন।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন